৩য় সপ্তাহ ৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১। class 8 agriculture assignment 3rd week 2021

তোমরা যারা অষ্টম শ্রেণির এসাইনমেন্ট কৃষি শিক্ষা উত্তর ৩য় সপ্তাহ ২০২১ খুজছিলে তাদের জন্য সুখবর নিয়ে আসলাম। এখানে তোমরা ৩য় সপ্তাহ ৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ পেয়ে যাবে। কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট ক্লাস ৮ লেখার জন্য তোমাদের কোনো ছবি আঁকাতে হবে না। শুধু লিখলেই হবে।

ক্লাস ৮ এর কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সবার জন্য হয় কিন্তু। শুধুমাত্র যারা বিজ্ঞান বিভাগ বা মানবিক বিভাগ থেকে কৃষি শিক্ষা বিয়য়টি নিয়েছো তাদের জন্য। কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট ৮ম উত্তর তাই যে কেউ লেখা শুরু করে দিও না।

অষ্টম শ্রেণির এসাইনমেন্ট কৃষি শিক্ষা উত্তর ৩য় সপ্তাহ ২০২১

অষ্টম শ্রেণির এসাইনমেন্ট কৃষি শিক্ষা উত্তর লেখার আগে তোমরা এর প্রশ্নগুলো পড়ে নিও। প্রশ্ন না পড়ে লিখতে গেলে অনেক কিছু হয়তো বাদ দিয়ে দিতে পারো যেটা বাদ দিলে অতি উত্তম পাবেনা।

কৃষি শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি  অ্যাসাইনমেন্টটি তোমরা খাতায় লিখলেই হবে। অনেকে প্রশ্ন করে কোনগুলো খাতায় লিখবো আর কোনগুলো পোস্টার পেপারে। তোমাদের বলবো যেগুলোতে পোস্টার তৈরি করতে বলেবে সেগুলোতেই কেবল পোস্টার পেপার ব্যবহার করতে। অন্যথায় পোস্টার পেপার ব্যবহার করার প্রয়োজন নাই।

আরো পড়ুনঃ


৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট ৩য় সপ্তাহ ২০২১

৩য় সপ্তহের অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ অষ্টম শ্রেণি প্রশ্ন পিডিএফ ডাউনলোড করুন। শ্রেণিঃ সপ্তম

শ্রেণিঃ অষ্টম

বিষয়ঃ কৃষি শিক্ষা

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের ক্রমঃ এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ ০১

অধ্যায় ও অধ্যায়ের শিরোনামঃ প্রথম অধ্যায়, বাংলাদেশের কৃষি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট;

পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত পাঠ নম্বর ও শিরােনাম/ বিষয়বস্তুঃ

১: কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান

২: বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি এবং কৃষির আধুনিকায়ন

৩: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষির অগ্রগতি

৪: এশীয় ও বিশ্ব- প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের কৃষির তুলনা পাঠ-৫: বাংলাদেশ ও ভারত

৬: ফসলের মৌসুম নির্ভরশীলতা কাটিয়ে উঠা

কৃষি শিক্ষা বিষয়ের ৩য় সপ্তাহের অষ্টম শ্রেণির এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজঃ

রুমির বাবা একজন কৃষিবিজ্ঞানী। তিনি মিষ্টি ও উচ্চ ফলনশীল আমের একটি জাত উদ্ভাবন করেন যা বারি-৪ নামে মাঠ পর্যায়ে সফলভাবে উৎপাদিত হচ্ছে।

গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই অবদানের জন্য তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদক প্রদান করে সম্মানিত করেন।

রুমির বাবার এমন সম্মান প্রাপ্তির পিছনে নিম্নলিখিত বিষয়গুলাে তার মনে যে আলােড়ন সৃষ্টি করেছে সে ব্যাপারে তােমার সুচিন্তিত মতামত উল্লেখ কর

১. ধান, পাট, গম, আখ, চাষযােগ্য কৈ মাছ, মিষ্টি জাতের আম, মাল্টা ইত্যাদি উদ্ভাবনে কাদের নিরলস পরিশ্রম ও গবেষণায় অবদান রয়েছে?

২. কোন কোন প্রতিষ্ঠান গবেষণার মাধ্যমে এসব নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন?

৩. ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BRRI) থেকে ধানের কোন কোন জাত উদ্ভাবন করেছেন?

৪. কৃষিবিজ্ঞানীরা ধানছাড়াও অন্যান্য কি কি জাত উদ্ভাবন করেছেন-যা কৃষকেরা মাঠে চাষাবাদ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন?

৫. এ সমস্ত কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের কোন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে?

কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১
কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১


নির্দেশনাঃ

  • ১. এনসিটিবি কর্তৃক প্রণীত ২০২১ সালের কৃষিশিক্ষা বিষয়ের প্রথম অধ্যায় পাঠ;
  • ২. ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহ;
  • ৩. বিষয় শিক্ষকের পরামর্শ গ্রহণ;
  • ৪. অভিভাবকের মতামত গ্রহণ;
  • ৫. স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিকট প্রতিবেশির সাথে পরামর্শ;
৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট ৩য় সপ্তাহ ২০২১
৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট ৩য় সপ্তাহ ২০২১


 ৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ৩য় সপ্তাহ ২০২১ 


অ্যাসাইনমেন্ট শুরু

১নং প্রশ্নের উত্তর

ধান, পাট, গম, আখ, চাষযোগ্য কৈ মাছ মিষ্টি জাতের আম . মাল্টা ইত্যাদি উদ্ভাবনে কৃষি
বিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রম ও গবেষণায় অবদান রয়েছে।

কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অবদান অনেক। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘকাল পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় কৃষির সাথে যুক্ত করে কৃষি কর্মকাওকে আধুনিকায়ন করেছেন।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা যেমন বিজ্ঞানী হতে পারেন .তেমনি কৃষকরাও বিজ্ঞানী হতে পারেন। আদি কৃষির উৎপত্তি সাধারণ মানুষের হাতেই।

কৃষি বিশ্বাবিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা জলবাষু . পরিবেশ, মাটি, পানি উৎপাদন পদ্ধতি এসব বিষয় বিবেচনায় এনে উচ্চতর গবেষণা করেছেন। তাদের গবেষণার ফলে কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।

২নং প্রশ্নের উত্তর

আমাদের দেশেও বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে এসব নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। কৃষিতে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশেও বিতিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউট রয়েছে।

এসব ইনস্টিটিউট ও প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন বর্তমানে বাংলাদেশের চারটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি পূর্ণাঙ্গ ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে।

প্রায় সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বিজ্ঞান পড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষকগণ গবেষণা করে থাকেন। তাদের গবেষণায় প্রান্ত উন্নত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠকমীয়া কৃষকদেরকে অবহিত কজেন।

৩নং প্রশ্নের উত্তর

ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BRRI) থেকে ধানের যে যে জাত উদ্ভাবন করেছেন-

বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট 'কিরণ ও 'দিশারি; নামের দুইটি ধানের জাভ উদ্ধাবন করেছে। সম্প্রতি বন্যাকবলিভ এলাকার জন্য ব্রি ধান-৫১ ও ব্রি ধান-৫২ নামে আরো দুইটি জাতের ধান উদ্ধাবন করেছে। এই দুই জাতের ধান পানির নিচে ১০:১৫ দিন টিকে থাকতে গারে। বন্যা যেমন কৃষকদের একটি বড় সমস্যা . ধরা ও লবণাক্ততা আরো বড় সমস্যা।

এজন্য বিজ্ঞানীরা ব্রি ধান-৫৬, ব্রি ধান-৫৭ নামের খরা সহনশীল ধান উদ্ভাবন করেছেন। উপকূল অঞ্চলের লবণাক্ততার সমস্যা দূর করার জন্য ব্রি ধান-৫৪ ও ব্রি ধান-৪৭ উদ্ভাবন হয়েছে।

৪নং প্রশ্নের উত্তর

কৃষিবিজ্ঞানীরা ধানছাড়াও অন্যান্য যে যে জাত উদ্ভাবন করেছেন- যা কৃষকেরা মাঠে চাষাবাদ
করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন:

ফুলের পরাগায়নের সময় পিতৃ গাছের গুণাগুণ যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে কিন্তু অঙ্গজ প্রজননে সে আশঙ্কা থাকে না। ফসলের বীজ ও নতুন নতুন জাত উন্নয়ন, বীজ সংরক্ষণ, রোগ-বালাইয়ের কারণ সনাক্তকরণ. ফসলের পুষ্টিমান বাড়ানো- এ সকল কাজই কৃষি বিজ্ঞানীরা করে থাকেন।

বিজ্ঞানীদের পরামর্শে কৃষকেরা কলা, আম. লিচু কমলা, গোলাপ ইত্যাদির উৎপাদনে অঙ্গজ প্রজনন ব্যবহার করে থাকেন। কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি গুলো কৃষকরা গ্রহণ করেছেন বলে উচ্চ ফলনশীল ধান, গম. ভুটা, যব এইসব শসোর উৎপাদনশীলতা আগের তুলনায় অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে। কৃষি কিজ্ঞানীরা নানা ধরনের ফুল. ফল. শাকসবজি ও বৃদ্ধ বিদেশ থেকে এনে এদেশের কৃষিতে সংযোজন করেছেন!

এগুলোর সাথে সংকরায়ন করে দেশীয় পরিবেশ সহনীয় নতুন জাত উদ্ধাবন করেছেন, যেগুলো এ দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনে কৃষিবিজ্ঞানীদের ভূমিকা অনেক ও বেকার কর্মসংস্থান তৈরিতেও সহায়ক।

৫মং প্রশ্নের উত্তরঃ

এ সময কৃষিজাভ দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে মানুষের যে ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে তা হলো;

কৃষি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। বেকার সমস্যা সমাধানে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। প্রাচীনকাল থেকে কৃষিকাজ মানুষের প্রধান পেশা। বর্তমানেও এটি পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষের প্রধান উপজীবিকা।

সুতরাং প্রাচীন পেশা হিসেবে এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কৃষিকাজ মানুষের প্রাথমিক পর্যায়ের
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড (Primary economic avitvity))। অধ্যাপক জিমারম্যানের (১৯৫১) . মতে
কৃষিকাজ মানুষের এক বিশেষ ধরনের অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা ও একটি উৎপাদদমুখী কাজ। তাই বলা যায়, এ সমস্ত কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকার মানুষের কৃষিক্ষেত্রে  কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

অ্যাসাইনমেন্ট শেষ

আরো পড়ুনঃ

৩য় সপ্তাহ ৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট

কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট ৮ম উত্তর পেয়েছো তোমরা তোমাদের ৩য় সপ্তাহের অন্য একটি অ্যাসাইনমেন্ট হলো ৮ম শ্রেণির গণিত এসাইনমেন্ট। সেটাও এই সাইটে দেওয়া আছে। তোমরা উপরের লিংক থেকে সেটা  দেখে নিতে পারো।

সকল শ্রেণির সকল অ্যাসাইনমেন্ট দ্রুত সবার আগে পেতে আমাদের ফেজবুক পেজ ও গ্রুপে জয়েন হয়ে থাকো। সেই সাথে আমাদের  ইউটিউব চ্যনেলটি সাবসক্রাইব ক রে রাখো নিচে এগুলোর লিংক দেওয়া হলে।

আমাদের ইউটিউব লিংক

ফেজবুক পেজ (সমস্যা ও সমাধান)

assignment all class (6-9)📝📝